Saturday, 12 November 2011

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারপতি নাসিম কে নিয়ে চালানো প্রোপাগান্ডা এবং তার আইনী উত্তর

বাংলাদেশে বর্তমান চলা যুদ্ধাপরাধী বিচারের ট্রাইবুনাল নিয়ে শুধু “নাসিম বিতর্ক” নয়, গত ২৫ শে মার্চ ২০১০ সালে এই ট্রাইবুনাল গঠিত হবার পর থেকে আজ পর্যন্ত কয়েকশত অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই অভিযোগ প্রথম দিকে উত্থাপিত হয়েছে জামাত-শিবিরের দেশীয় এক্টিভিস্ট এবং বুদ্ধিজীবিদের মাধ্যমে। পরবর্তীতে বিশেষ সুবিধা না করতে পেরে তারা ইংল্যান্ড, আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশ থেকে লবিস্ট নিয়োগ করে। যেই লবিস্টদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন ইংল্যান্ডের আইনজীবি স্টিভেন কে কিউসি এবং টবি ক্যাডম্যান। 

Monday, 24 October 2011

নির্বোধের মৃত্যূ’র ব্যাপারটি

উৎসর্গঃ মহান সব নেতা-নেত্রীদের । কোলে নিয়ে যাদের কেবল চুমু দিতে ইচ্ছে করে     
এক 
আমার ঘরে গত দুইদিন হলো একটা পাথর এনে রেখেছি । রাস্তার ধারে খুব অবহেলায় পড়ে থাকা অতি সাধারণ একটি পাথর । উচ্চতা আর ঠিক কতটুকু প্রসারিত তার ধারণা খুব আমূল পরিবর্তন না করেও বলে দেয়া যায় উচ্চতা দুই ফুট আর চওড়া একফুট । ধূসর , চাকচিক্যহীন । ওজন তাই বলে কম নয় । ম্যানর পার্ক রেলস্টেশন থেকে ঘামতে ঘামতে ঘরে বয়ে এনেছি আমার কাছে মহা মূল্যবান মনে হওয়া এই নির্বিষ পাথরটি । নাহ্, নীলা , রক্ত প্রবাল,গোমেট, পান্না, রেড স্টোন,টরমালিন,রুবী কিছুই নয় । স্রেফ ধূসর ,অস্পষ্ট একটি পাথর । যার আদতে কোন নাম ছিলো না । বলবার মত কোন ঠিকানা ছিলো না । যার কোন ঘর ছিলো না, বাড়ী ছিলো না ,যার কোন পরিচয় ছিলো না । 

Wednesday, 19 October 2011

কি দরকার শিরোনামের?


কি লিখব শিরোনামে বলেন?  কি-ই বা লিখবার থাকে আর?  ভিডিওটা দেখলাম গতকাল রাতে। "অনেক দুঃখে পাথর" হয়ে যাওয়া বলে একটা কথা নিশ্চয়ই জানেন সকলে, সেটিই হয়েছে। হাসব না কাঁদব না চুপ করে বসে থাকব কিছুই বুঝতে পারলাম না। "কিংকর্তব্যবিমুঢ় অবস্থা" শব্দ দুইটিও যেন ধোপে টেকে না আর এই যাত্রা। এই ভিডিও দেখবার পর গালি দেইনি, গালি আসেও নি। সব সময় কি আর গাল দিতে ইচ্ছে করে? বলেন?

Monday, 17 October 2011

ক্ষমতাহীন, শক্তিহীন এক নিরুপায় গর্দভ

খুব বেশী দিন দূরে যেতে বলি না। ১৯৪৭ না, ১৯৫২ না, ১৯৬৯ না, ১৯৭১ না। কষ্ট করে ১৯৭২ সাল থেকে মনে করবার কথা বলি। ১৯৭২ থেকে আজ ১৭ অক্টোবর ২০১১ সাল কত বছর হয়? কত দিন হয়? কত বছর? কত মাস? কত সপ্তাহ? কত মিনিট? কত সেকেন্ড? সেই শুরু অযোগ্য প্রেসিডেন্ট মুজিব আর তার কম্বল চোরা মোস্তফাকে দিয়ে, শেখ মনিকে দিয়ে, মোস্তাককে দিয়ে। 

Thursday, 13 October 2011

ফখরুলেরা পারে, ফখরুলেরাই পেরেছিলো...


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বি ডি নিউজে বিরাট জনসভা বসিয়েছেন তার লেখা দিয়ে। আগে যে কাজ হোতো ঘরে ঘরে ভোট চাইতে গিয়ে, যে মিঠে আর সুকথা দিয়ে ভোদাই জনগণকে হিপনোটাইজ করা হোতো সেটির রেশ এই যুগে এসে স্থান পেয়েছে অনলাইনে। রাজনীতিবিদরা ইদানীং ব্লগ, ফেসবুকে যেভাবে হানা দিচ্ছেন তাতে করে ব্যাপারটাকে আমি দেখি শংকার আর আতংকের মত করে। চোর হাসিনার চোর পূত্র সজীব ওয়াজেদ জয় যেমন সুচিন্তা, ই-বাংলাদেশ ইত্যাদির পেছনে উঁকি ঝুঁকি মেরে ব্লগ ও অনলাইন জগৎকে একটা কালিমায় লেপন করেছে, ঠিক তেমনি এক সময় সে ব্লগ স্পটে ব্লগ খুলে তার মাকে কয়েদবাস থেকে মুক্ত করবার জন্য অনেক দিন ম্যাও ম্যাও করেছে কিছু সাঙ্গ পাঙ্গদের সাথে নিয়ে। আবার ছাগু চীপ দের আনাগোনাও প্রবল ভাবে এই ব্লগ সংস্কৃতিতে বিরক্ত করেছে অনেক দিন। এখন নতুন যন্ত্রণা শুরু করেছে রাজনীতিবিদেরা। এরা দুই দিন পর পর ব্লগ লিখে আমাদের স্তুতি শোনায়, আনেবানে আর ঠারে ঠুরে এরা ভোট ভিক্ষা চায় ব্লগ আর ফেসবুকীদের কাছে। ব্যাপারটা না বোঝার কোনো কারন নেই।

Monday, 10 October 2011

ভোটের নামে কুত্তারবাচ্চারাই জিতে যায় বার বার



আমার দিনটির কথা স্পষ্ট মনে পড়ে। ওয়ান ইলেভেনের পরের দিন। ঢাকা ভার্সিটির ভিতরে রিকশা নিয়ে কোথাও যাচ্ছি আর রিকশা যিনি চালাচ্ছেন সেই ভদ্রলোক সমানে কথা বলে যাচ্ছেন। আর্মি এখন কি করে সব রাজনীতিবিদ্দের পুচ্ছ দেশের ব্যাবস্থা করবে কিংবা সেইসব নোংরা পশুদের পিটিয়ে পিঠের ছাল তুলে লবন মরিচ লাগিয়ে ফেলবে সেই কথা বলতে বলতে রিকশাচালক ভদ্রলোকের খুশীর সীমা ছিলো না। খুশির বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে ভদ্রলোক দূর্ঘটনার কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে রিকশার হ্যান্ডেল ফেলে তাঁর বগলের তলায় একটা হাত দিয়ে অদ্ভুত এক ভঙ্গিতে এক ধরনের আওয়াজও তোলা শুরু করেছিলেন। 

Sunday, 18 September 2011

আরেক আঁধারে


এক-


যখন অর্থনৈতিক বিপদে পড়ি তখন আমি নানাবিধ ভাবনা ভেবে থাকি। এর মধ্যে ভাবনার বিষয় বস্তু হিসেবে যে দু’জন আমার মাথায় বার বার সুড়সুড়ি মতান্তরে কাতুকুতু দিতে থাকে তাদের নাম যথাক্রমে সম্রাট তারেক রহমান এবং সম্রাট সজীব ওয়াজেদ জয়। কেন এদের কথা ভাবি তা আমি নিজেও জানিনা। তবে তাদের কথা ভাবি এটা সত্য। আমি যখন ধার হিসেবে একশটি পাউন্ডের জন্য বন্ধুর কাছে হাত পাতি, যখন হাত পাতি পরিচিতের কাছে, যখন হাত পাতি কলিগের কাছে, যখন হাত পাতি এর কাছে,ওর কাছে- তখন

Sunday, 21 August 2011

ডিং ডং

আমার আর একটুও লিখতে ভাল্লাগে না। চোখে ভীড় করে আছে রাজ্যের ঘুম আর ক্লান্তি। হাজার বছরের ঘুম।আমি অনেক ক্লান্ত, তাই আমি আর লিখতে চাই না। আমি তাই লিখতে না চাওয়াদের দলে। বলতে না চাওয়াদের দলে। শুনতে না চাওয়াদের দলে। আমি তাই হারিয়ে যাওয়াদের দলে...

Saturday, 20 August 2011

প্রভু ভক্তের সুয়োমুটো

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক লোকটার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিলো ২০০৪ সালের কোনো এক মাসে যা আমার এখন মনে পড়েনা। সেদিনই আমি ব্রিক লেনে বনফুল মিষ্টির দোকানে কাজ শুরু করি। আমার মূল কাজ ছিলো কাঁধে করে কারিগরদের বানানো দই, মিষ্টি, রসগোল্লা ইত্যাদি ভাঁড়ার থেকে দোকানে নিয়ে আসা। পরিশ্রমের কাজ তো বটেই তার চেয়ে বেশী বড় মানসিক পীড়নের।

Tuesday, 9 August 2011

এটি ব্লগ নয়...এটি শুধু একটি প্রশ্ন

কাজ থেকে এসে মৃতের মত ঘুমাচ্ছিলাম। দুঃস্বপ্ন দেখে ধড়মড়িয়ে উঠেই মনে হোলো চারিদিকে কেমন অবষাদময় নিরবতা। পাশেই স্ত্রী ঘুমুচ্ছে। তারো পাশে ঘুমায় আমার আরেক পৃথিবী ইথান।বাইরে থেকে থেমে থেমে কে যেন চিৎকার করছে। এই গলাটি পরিচিত। প্রতিদিন রাত হলেই লোকটি কি কারনে যেন চিৎকার করতে থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা।তার হয়ত দুঃখ আছে, বিষাদ আছে, আছে হারাবার কিংবা না পাবার যন্ত্রণা। কিংবা আরো কিছু হতে পারে, যা আমি ভাবিনি, মনে করে উঠতে পারিনি কখোনো সখনো। দুঃস্বপ্নে দেখেছি আমার ছেলে হাতের ভেতর মস্ত এক পেরেক ঢুকিয়ে মাথা নীচু করে বসে আছে। জিজ্ঞেশ করেছিলাম, “বাবা, কেমন করে হোলো এমন?” প্রশ্নের পর উত্তর পাইনি।ছেলে কেমন অভিমানী হয়ে ঠোঁট বাঁকিয়ে চুপ ক’রে ছিলো। তার লাল দুটি ঠোঁট। যেন অভিমানী এক রাজকুমার। ক্লান্ত, শ্রান্ত, বিষাদময়।

Monday, 1 August 2011

Practicing in Australia as a Barrister



If you want to practice as a barrister in Australia, firstly you have to decide in which part of Australia you are interested in to practice. For example, you might want to practice in New south Wales, or Victoria or Northern territory, or in Queensland etc. due to the operation of mutual recognition provisions and the newly developed National Practising Certificate Scheme, overseas applicants who are admitted to practice in one Australian jurisdiction can usually easily gain practice rights in all other Australian jurisdictions. This applies equally to lawyers trained both inside and outside Australia. Applicants seeking admission to practice in Australia on the basis of their overseas qualifications require assessment of their qualifications and directions as to what further steps are required to meet the local requirements for admission.

Sunday, 31 July 2011

একা একা

উৎসর্গঃ আবিদ শাহরিয়ার, আপনাকে । একদিন ঘুমের দেশে দেখা হবে আপনার সাথে ।

দাদা ভাই চলে গেলেন ১৯৭৯ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী। ১৯৯৩ সালে নূতন চাচী মারা গেলেন মিলিকে জন্ম দেবার এক সপ্তাহের মধ্যে। মিলির দুধ মা, মানে আমার মেঝো চাচী। দূরারোগ্য থাইরয়েডে আক্রান্ত হলেন। একদিন তিনিও চলে গেলেন। ঠিক তার ৫ মাস পর আমার মেঝো চাচা। ইয়াসীন মজুমদার। ১৯৯৫ এ বড় ফুপা, ১৯৯৭ সালে ছোট ফুপা। তারপর পাশের বাসার খালু। রাশভারি আজিজ খালু। আমার প্রাণের বন্ধু রিমনের আব্বা। তার কিছুদিন পরেই বন্ধু সিফাত রহিমের বাবা। রহিম চাচা। মাস খানেক পরেই সজলের বাবা মটর দূর্ঘটনায়। সেই ঘুমের দেশেই... নানু মারা গেলেন আমি যখন লন্ডনে। প্রাণের বন্ধু তাওহীদ করলো আত্নহত্যা ২০০৬, জুন ৬।

Sunday, 24 July 2011

ভুল করে মনে পড়ে স্যার...

যখন মন খুব খারাপ থাকে, নিজের ভেতর অজানা সব গলি আর ঘুপচি দিয়ে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে, যখন ভালো লাগেনা এই আকাশ, চাঁদ, তারা, প্রজাপতি, ফড়িং , ফুল, পাখি , নদী , ব্যাস্ত সড়ক , বৃক্ষ , ইমারত , বাতাস , সুস্বাদু খাদ্য, জীবন , যাপন , জোনাকী , বই , লতা , শিল্পকলা, নৃত্যকলা, উদ্ভিদ, সংসার, সন্তান, স্ত্রী, মানুষ , অমানুষ, নক্ষত্র, লাল, নীল, সাদা কালো, দুপুর, সন্ধ্যা, রজনী, ফসলের ক্ষেত, দীঘি, চৌরাস্তা, চায়ের দোকানের আড্ডা,... তখন আপনাকে খুব মনে পড়ে স্যার। আপনি অমন একা শুয়ে আছেন কলমহীন , কথাহীন , প্রতিবাদহীন, নির্লিপ্ত দুঃখ নিয়ে , আমার সহ্য হয়না স্যার । ইচ্ছে করে আপনার হাতে কলম তুলে দেই , সজোরে চিৎকার করি , বেদম চিৎকার করি , আকাশ কাঁপাই , বাতাস কাঁপাই । ইচ্ছে করে নিজেকে ছিন্ন-ভিন্ন করে দিতে। ইচ্ছে করে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে ডুকরে কাঁদি। ইচ্ছে করে আপনাকে আরো একবার এই নষ্ট জনপদে ফিরিয়ে আনি। আপনাকে মনে পড়ে স্যার। অকারনে...কারনে...সময়ে...অসময়ে...ভুল করেই হয়ত...

Saturday, 23 July 2011

বড় হও...দীর্ঘ হও ছেলে...

তোমার ঘটনা বুঝিনা একবার বের হয়ে আসতে চাও আবার কিছুক্ষণ পরেই ঘাপটি মেরে মৌন সন্যাসী হও খানিকটা আতংকে ছিলাম তোমার মা'কে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই এক অমানুষিক কষ্টে তার রাত দিন যাচ্ছিলো কখনো মুভমেন্ট মিসিং , কখনো পজিশন ব্রীচ করছিলো গতকাল রাতে এম্বুলেন্সের মধ্যে আর তারপর সারাটা রাত এক অপার্থিব ব্যাথায় তোমার মা আকাশ বিদীর্ণ করেছে চিৎকারে পাশে বসে আমি কখনো চোখ মুছেছি , কখনো শক্ত করে হাত ধরে রেখেছি যে এই অবস্থার মধ্যে দিয়ে না গিয়েছে তাকে বোঝানো মুশকিল আসলেই মুশকিল তারপর বাধ্য হয়ে ডাক্তার রা তোমার মাকে পেথিড্রিন দিয়েছেন , তারো পরে এপিডিউরেল

Saturday, 9 July 2011

দুইয়ে দুইয়ে চার হয়


জানিনা আপনাদের মনে আছে কিনা খাকি পোষাকের কোহিনূর মিয়ার কথা । মনে না থাকারই কথা । একে তো গোল্ডফিশ জাতি আর তার উপর ছিল-চপ্পর বাংলাদেশী হিসেবে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা আমাদের স্মৃতি ও ইতিহাসের পাঠ অল্পদিন ধারন করি । সুতরাং কোহিনূর মিয়াকে মনে রাখা আর না রাখাতে কি-ই বা এসে যায়।এক কথায় প্রকাশের মত ছোট করে আবারও মনে করাই কোহিনূর মিয়ার কথা। বি এন পি যতদিন ক্ষমতায় ছিলো ততদিন যে পুলিশ অফিসার হরতালে , বিক্ষোভে , মিছিলে আওয়ামীলীগ নেতাদের দেদারছে পেটাত তিনিই কোহিনূর মিয়া। তিনি কি কি উপায়ে ও কি কি প্রতিভায় কি কি কর্মযজ্ঞ করেছিলো তার বিস্তারিত গুগল করেলেই জানা যায়। কষ্ট করে কোহিনূর মিয়া নামটি লিখতে হবে। এই আর কি। আপনাদের কষ্ট কমাতে আমি এই লিঙ্ক টি দিলাম।