এপিটাফ...Where have all the flowers gone ?
নিঝুম মজুমদার এখানে শান্তিতে শায়িত রয়েছেন...
Saturday, 12 November 2011
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারপতি নাসিম কে নিয়ে চালানো প্রোপাগান্ডা এবং তার আইনী উত্তর
Monday, 24 October 2011
নির্বোধের মৃত্যূ’র ব্যাপারটি
এক আমার ঘরে গত দুইদিন হলো একটা পাথর এনে রেখেছি । রাস্তার ধারে খুব অবহেলায় পড়ে থাকা অতি সাধারণ একটি পাথর । উচ্চতা আর ঠিক কতটুকু প্রসারিত তার ধারণা খুব আমূল পরিবর্তন না করেও বলে দেয়া যায় উচ্চতা দুই ফুট আর চওড়া একফুট । ধূসর , চাকচিক্যহীন । ওজন তাই বলে কম নয় । ম্যানর পার্ক রেলস্টেশন থেকে ঘামতে ঘামতে ঘরে বয়ে এনেছি আমার কাছে মহা মূল্যবান মনে হওয়া এই নির্বিষ পাথরটি । নাহ্, নীলা , রক্ত প্রবাল,গোমেট, পান্না, রেড স্টোন,টরমালিন,রুবী কিছুই নয় । স্রেফ ধূসর ,অস্পষ্ট একটি পাথর । যার আদতে কোন নাম ছিলো না । বলবার মত কোন ঠিকানা ছিলো না । যার কোন ঘর ছিলো না, বাড়ী ছিলো না ,যার কোন পরিচয় ছিলো না ।
Wednesday, 19 October 2011
কি দরকার শিরোনামের?
Monday, 17 October 2011
ক্ষমতাহীন, শক্তিহীন এক নিরুপায় গর্দভ
Thursday, 13 October 2011
ফখরুলেরা পারে, ফখরুলেরাই পেরেছিলো...
Monday, 10 October 2011
ভোটের নামে কুত্তারবাচ্চারাই জিতে যায় বার বার
Sunday, 18 September 2011
আরেক আঁধারে
যখন অর্থনৈতিক বিপদে পড়ি তখন আমি নানাবিধ ভাবনা ভেবে থাকি। এর মধ্যে ভাবনার বিষয় বস্তু হিসেবে যে দু’জন আমার মাথায় বার বার সুড়সুড়ি মতান্তরে কাতুকুতু দিতে থাকে তাদের নাম যথাক্রমে সম্রাট তারেক রহমান এবং সম্রাট সজীব ওয়াজেদ জয়। কেন এদের কথা ভাবি তা আমি নিজেও জানিনা। তবে তাদের কথা ভাবি এটা সত্য। আমি যখন ধার হিসেবে একশটি পাউন্ডের জন্য বন্ধুর কাছে হাত পাতি, যখন হাত পাতি পরিচিতের কাছে, যখন হাত পাতি কলিগের কাছে, যখন হাত পাতি এর কাছে,ওর কাছে- তখন
Sunday, 21 August 2011
ডিং ডং
Saturday, 20 August 2011
প্রভু ভক্তের সুয়োমুটো
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক লোকটার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিলো ২০০৪ সালের কোনো এক মাসে যা আমার এখন মনে পড়েনা। সেদিনই আমি ব্রিক লেনে বনফুল মিষ্টির দোকানে কাজ শুরু করি। আমার মূল কাজ ছিলো কাঁধে করে কারিগরদের বানানো দই, মিষ্টি, রসগোল্লা ইত্যাদি ভাঁড়ার থেকে দোকানে নিয়ে আসা। পরিশ্রমের কাজ তো বটেই তার চেয়ে বেশী বড় মানসিক পীড়নের।
Tuesday, 9 August 2011
এটি ব্লগ নয়...এটি শুধু একটি প্রশ্ন
কাজ থেকে এসে মৃতের মত ঘুমাচ্ছিলাম। দুঃস্বপ্ন দেখে ধড়মড়িয়ে উঠেই মনে হোলো চারিদিকে কেমন অবষাদময় নিরবতা। পাশেই স্ত্রী ঘুমুচ্ছে। তারো পাশে ঘুমায় আমার আরেক পৃথিবী ইথান।বাইরে থেকে থেমে থেমে কে যেন চিৎকার করছে। এই গলাটি পরিচিত। প্রতিদিন রাত হলেই লোকটি কি কারনে যেন চিৎকার করতে থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা।তার হয়ত দুঃখ আছে, বিষাদ আছে, আছে হারাবার কিংবা না পাবার যন্ত্রণা। কিংবা আরো কিছু হতে পারে, যা আমি ভাবিনি, মনে করে উঠতে পারিনি কখোনো সখনো। দুঃস্বপ্নে দেখেছি আমার ছেলে হাতের ভেতর মস্ত এক পেরেক ঢুকিয়ে মাথা নীচু করে বসে আছে। জিজ্ঞেশ করেছিলাম, “বাবা, কেমন করে হোলো এমন?” প্রশ্নের পর উত্তর পাইনি।ছেলে কেমন অভিমানী হয়ে ঠোঁট বাঁকিয়ে চুপ ক’রে ছিলো। তার লাল দুটি ঠোঁট। যেন অভিমানী এক রাজকুমার। ক্লান্ত, শ্রান্ত, বিষাদময়।
Monday, 1 August 2011
Practicing in Australia as a Barrister

Sunday, 31 July 2011
একা একা
Sunday, 24 July 2011
ভুল করে মনে পড়ে স্যার...
Saturday, 23 July 2011
বড় হও...দীর্ঘ হও ছেলে...
তোমার ঘটনা বুঝিনা । একবার বের হয়ে আসতে চাও আবার কিছুক্ষণ পরেই ঘাপটি মেরে মৌন সন্যাসী হও । খানিকটা আতংকে ছিলাম তোমার মা'কে নিয়ে । গত কয়েকদিন ধরেই এক অমানুষিক কষ্টে তার রাত দিন যাচ্ছিলো । কখনো মুভমেন্ট মিসিং , কখনো পজিশন ব্রীচ করছিলো । গতকাল রাতে এম্বুলেন্সের মধ্যে আর তারপর সারাটা রাত এক অপার্থিব ব্যাথায় তোমার মা আকাশ বিদীর্ণ করেছে চিৎকারে । পাশে বসে আমি কখনো চোখ মুছেছি , কখনো শক্ত করে হাত ধরে রেখেছি । যে এই অবস্থার মধ্যে দিয়ে না গিয়েছে তাকে বোঝানো মুশকিল । আসলেই মুশকিল । তারপর বাধ্য হয়ে ডাক্তার রা তোমার মাকে পেথিড্রিন দিয়েছেন , তারো পরে এপিডিউরেল ।
Saturday, 9 July 2011
দুইয়ে দুইয়ে চার হয়
জানিনা আপনাদের মনে আছে কিনা খাকি পোষাকের কোহিনূর মিয়ার কথা । মনে না থাকারই কথা । একে তো গোল্ডফিশ জাতি আর তার উপর ছিল-চপ্পর বাংলাদেশী হিসেবে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা আমাদের স্মৃতি ও ইতিহাসের পাঠ অল্পদিন ধারন করি । সুতরাং কোহিনূর মিয়াকে মনে রাখা আর না রাখাতে কি-ই বা এসে যায়।এক কথায় প্রকাশের মত ছোট করে আবারও মনে করাই কোহিনূর মিয়ার কথা। বি এন পি যতদিন ক্ষমতায় ছিলো ততদিন যে পুলিশ অফিসার হরতালে , বিক্ষোভে , মিছিলে আওয়ামীলীগ নেতাদের দেদারছে পেটাত তিনিই কোহিনূর মিয়া। তিনি কি কি উপায়ে ও কি কি প্রতিভায় কি কি কর্মযজ্ঞ করেছিলো তার বিস্তারিত গুগল করেলেই জানা যায়। কষ্ট করে কোহিনূর মিয়া নামটি লিখতে হবে। এই আর কি। আপনাদের কষ্ট কমাতে আমি এই লিঙ্ক টি দিলাম।


